বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  • ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ মে ২০১৫

শেয়ার মার্কেট

শেয়ার মার্কেট হলো এমন একটি বাজার যেখানে শেয়ার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দামের ও মানের শেয়ার ক্রয় বিক্রয় করে থাকে। শেয়ার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা করে থাকেন। এসব শেয়ার কোনো একটি স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত থাকে। বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ । এই দুই স্টক এক্সচেঞ্জই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সিস্টেমে পরিচালিত হয়। এক্সচেঞ্জগুলি স্ব-নিয়ন্ত্রিত এবং প্রাইভেট সেক্টর এনটিটি যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদিত পরিচালনা নীতি দ্বারা পরিচালিত। সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়। কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত এবং সিকিউরিটিস নিয়ম পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। বর্তমানে কমিশনে চেয়ারম্যান ব্যতীত তিনজন পূর্ণকালীন সদস্য রয়েছেন। কমিশন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
 
ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত। এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার। এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পূর্বেই ১৯৫৬ সালে ঢাকা শেয়ার মার্কেটের কার্যক্রম শুরু হয়। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।
 
স্টক এক্সচেঞ্জ এমন এক ধরনের প্রতিষ্ঠান যা কোম্পানি স্টক ও সিকিউরিটিস ব্যবসার সঙ্গে স্টক ব্রোকার ও ট্রেডারদের মধ্যের কার্যক্রমকে সহজতর করে। স্টক এক্সচেঞ্জ সিকিউরিটিস ও অন্যান্য অর্থনৈতিক উপাদানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে। এটি ইনকাম ও ডিভিডেন্ট এর পেমেন্ট নিয়েও কাজ করে। স্টক এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়িক সেক্টরে পুঁজিকে উৎসাহিত করে, সঞ্চয়কে বিনিয়োগে উৎসাহ দেয়, কোম্পানির প্রবৃদ্ধিকে সহজতর করতে সহায়তা করে, সম্পদের পুনর্বণ্টন এবং সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তার জন্য পুঁজিকে উৎসাহিত করতে ভূমিকা রাখে।

 

গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ